Android লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Android লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
top-freelancing-websites
top-freelancing-websites


অনলাইনে কাজ করা বর্তমানে বহুল পরিচিত একটি পেশা। দক্ষতা অনুযায়ী বিভিন্ন প্রকারের কাজ করে ঘরে বসেই হাজার হাজার ডলার আয় করা সম্ভব। বিশ্বের বিভিন্ন বড় বড় প্রতিষ্ঠান আউটসোর্সিং প্রজেক্টের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সারদের দ্বারা কাজ করিয়ে নিচ্ছে। এদের মধ্যে রয়েছে এয়ারবিএনবি, ড্রপবক্স প্রভৃতি। ২০১৭ সালের এক গবেষণা অনুযায়ী, বাংলাদেশে তখন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ফ্রিল্যান্সার কমিউনিটি ছিল। অর্থাৎ, পৃথিবীতে তখন যে সংখ্যক ফ্রিল্যান্সার ছিলেন, সেই হিসেবে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল বাংলাদেশ। প্রথম স্থানে ছিল ভারত। তৃতীয় যুক্তরাষ্ট্র। এই বিশাল সংখ্যক মানুষের অধিকাংশ বিভিন্ন ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং কাজ শুরু করেছেন। সেই ওয়েবসাইটগুলির ঠিকানা কী? জানতে চান?

এই পোস্টে আমরা অনলাইনে ইনকাম করার সবচেয়ে জনপ্রিয় সাইটগুলোর মধ্য থেকে ৭টি ওয়েবসাইট নিয়ে আলোচনা করছি।

 

 

 

১. আপওয়ার্ক – www.upwork.com

বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং সাইট কোনটি? অন্তত আমার কাছে মনে হয় উত্তরটা হবে ‘আপওয়ার্ক’। এটি প্রথমে ওডেস্ক নামে কার্যক্রম শুরু করে। ২০১৫ সালে সাইটটি ওডেস্ক নাম পরিবর্তন করে আপওয়ার্ক নাম নেয়। তখন আরেকটি জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম ‘ইল্যান্স’ আপওয়ার্কের সাথে একীভূত হয়। আপওয়ার্কে ফিক্সড এবং ঘন্টা ভিত্তিক (আওয়ারলি) রেটে কাজ পাওয়া যায়। এখান থেকে অর্থ তুলতে পেপাল, পেওনিয়ার এবং ব্যাংক ট্র্যান্সফার পদ্ধতি উপলভ্য আছে।

২. ফাইভার – www.fiverr.com

ফাইভারে ৫ ডলার থেকে শুরু করে ভাল অ্যামাউন্টের প্রজেক্ট পোস্ট করা হয়। লোগো ডিজাইন, ভয়েস রেকর্ড, আর্টিকেল লেখা, প্রভৃতির জন্য ফাইভার অত্যন্ত জনপ্রিয়। বায়াররা সরাসরি ফ্রিল্যান্সার সার্চ করেও প্রজেক্ট অফার করেন এই সাইটে। ফাইভারে সবই ফিক্সড প্রাইসের প্রজেক্ট (ঘন্টাভিত্তিক কোনো জব ফাইভারে এখনও আসেনি)। ফাইভার থেকে আয়কৃত অর্থ তোলার জন্য পেপাল, পেওনিয়ার এবং ব্যাংক ট্র্যান্সফার পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন।

৩. ফ্রিল্যান্সার ডটকম – www.freelancer.com

ফ্রিল্যান্সার ডটকম হচ্ছে একদম প্রথম সারিতে থাকা একটি অনলাইন ভিত্তিক জব মার্কেটপ্লেস, যেখানে ফিক্সড প্রাইস এবং আওয়ারলি রেটের প্রজেক্ট পাওয়া যায়। এখানে প্রচুর অনলাইন জব রয়েছে, এবং ফ্রিল্যান্সারের সংখ্যাও অনেক। কোম্পানিটির হেডঅফিস অস্ট্রেলিয়ায়। ফ্রিল্যান্সার ডটকম থেকে প্রাপ্ত প্রজেক্টে কাজ করে অর্জিত অর্থ উত্তোলন করার জন্য আছে পেপাল, স্ক্রিল, পেওনিয়ার এবং ব্যাংক ট্র্যান্সফার সিস্টেম।

৪. পিপল পার আওয়ার – www.peopleperhour.com

লন্ডন, যুক্তরাজ্য ভিত্তিক পিপল পার আওয়ার হচ্ছে অনলাইনে আয় করার অন্যতম জনপ্রিয় সাইট। এখানে ফিক্সড প্রাইস ও আওয়ারলি রেটে প্রজেক্ট পাওয়া যায়। পিপল পার আওয়ার থেকে আয়কৃত অর্থ তোলার জন্য পেপাল, স্ক্রিল, পেওনিয়ার এবং ব্যাংক ট্র্যান্সফার পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন।

৫. নাইনটিনাইন ডিজাইনস – 99designs.com

আপনি যদি ফ্রিল্যান্স ডিজাইনার হয়ে থাকেন, তাহলে ৯৯ডিজাইনস আপনার জন্য বেশ ভালো একটি কাজের জায়গা হতে পারে। এখানে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বায়াররা প্রজেক্ট অফার করেন এবং পেশাদার ডিজাইনারদের দ্বারা লোগো, ওয়েবসাইট ও অন্যান্য গ্রাফিক ডিজাইন করিয়ে নেন। ৯৯ডিজাইনস থেকে আপনার অর্জিত অর্থ তোলার জন্য পেওনিয়ার এবং পেপাল ব্যবহার করতে পারবেন। ৯৯ডিজাইনস যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্র্যানসিস্কো ভিত্তিক একটি বহুজাতিক কোম্পানি, যা অনলাইন ডিজাইনের জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত।

৬. গুরু ডটকম – www.guru.com

গুরু ডটকম হচ্ছে একটি অ্যামেরিকান ফ্রিল্যান্সিং সাইট, যেখানে ফিক্সড প্রাইস এবং আওয়ারলি- উভয় প্রকারের প্রজেক্ট পাওয়া যায়। গুরু ডটকম থেকে অর্থ উত্তোলনের জন্য পেপাল, পেওনিয়ার ও ব্যাংক ট্র্যান্সফার পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন।

৭. বিল্যান্সার ডটকম – belancer.com

বিল্যান্সার হচ্ছে বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম যেখানে বিভিন্ন প্রকার দেশি প্রজেক্ট পাওয়া যায়। বিল্যান্সার দেশের বাইরে থেকেও ক্ল্যায়েন্ট ও ফ্রিল্যান্সার আনার পরিকল্পনা করছে বলে জানিয়েছে। বিল্যান্সার ডটকমে মাইক্রো আকারের (১০০ টাকা) প্রজেক্ট থেকে শুরু করে অনেক বড় অ্যামাউন্টের প্রজেক্টও আসে। বর্তমানে এখানে শুধু ফিক্সড প্রাইসের জব আছে। আপনি চাইলে বিল্যান্সারে রেজিস্ট্রেশন করে আপনার ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার শুরু করতে পারেন।

বিল্যান্সারের মাধ্যমে আয়কৃত টাকা আপনি ব্যাংক ট্র্যান্সফার, বিকাশ, অথবা সরাসরি বিল্যান্সার অফিসে গিয়ে সংগ্রহ করতে পারেন।

 

শাওমি ফোন কিংবা মিইউআই (MIUI)’কে নতুন করে চেনানোর কিছুই নেই। কম দামে দারুণ স্পেসিফিকেশন দিয়ে এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে দিন দিন নিজেদের অবস্থানকে শক্ত করে চলছে শাওমি। এই চীনা টেক জায়ান্ট তাদের ফোনগুলোর দাম অন্য ব্র্যান্ডের তুলনায় কমানোর জন্য ভিন্ন ধরনের মার্কেটিং পলিসি নিয়ে কাজ করছে। এর অন্যতম উদাহরণ হলো শাওমি ফোনের ইউজার ইন্টারফেসে থার্ড পার্টি বিজ্ঞাপন।

 
How-stop-miui-phone-ads
How stop miui phone adsads

সহজ করে বলি, আপনি শাওমি ফোন ব্যবহার করার সময় এর ডিফল্ট অ্যাপগুলো থেকে অনেক সময় হয়তো বিভিন্ন অ্যাপ ইন্সটল করার কিংবা এই ধরনের অন্যান্য নোটিফিকেশন পেয়েছেন।

শুধু অ্যাপ নোটিফিকেশন-ই নয়, বরং অ্যাপ ইন্সটলার স্ক্রিন থেকে শুরু করে এমআইউআই এর ইউজার ইন্টারফেসের অনেক জায়গাতেই বিজ্ঞাপন চোখে পড়বে। এসব বিজ্ঞাপন দেখে আপনার বিরক্তি লাগলেও শাওমি এখান থেকে টাকা আয় করছে। আর এই কারণেই তারা অন্যান্য ব্র্যান্ডের চেয়ে কম দামে আপনাকে ফোন দিতে পারছে।

মিইউআই ১০ এর সাথে শাওমি তাদের বিজ্ঞাপনের পরিমাণ অনেক বাড়িয়েছে। তাই অন্যদিক থেকে শাওমি অনেক বাহবা পেলেও এই বিজ্ঞাপনের জন্য অনেক গ্রাহক কিংবা টেক রিভিউয়ারদের অসন্তোষের কবলে পড়েছে শাওমি। কাজের মাঝখানে অনাকাঙ্ক্ষিত বিজ্ঞাপন কারোরই পছন্দ না। আবার অনেক ক্ষেত্রে বিজ্ঞাপনগুলো অশ্লীল ও কুরুচিপূর্নও হয়ে থাকে। আপনিও যদি তেমনই একজন হয়ে থাকেন যে শাওমির এই বিজ্ঞাপন আর দেখতে চাননা তাহলে এই আর্টিকেলটি আপনারই জন্য।

শাওমি তাদের এসব বিজ্ঞাপন (তাদের ভাষায় “রিকমেন্ডেশন”) বন্ধ করার অপশন তাদের মিইউআই’তেই রেখেছে। তবে একদম কেন্দ্রীয়ভাবে বন্ধ করার কোনো ব্যবস্থা নেই। বরং আপনি আলাদা আলাদা অ্যাপ কিংবা আলাদা আলাদা সেকশনের জন্য আলাদাভাবে বিজ্ঞাপন বা রিকমেন্ডেশন বন্ধ করতে পারবেন। আপনাদের সুবিধার্থে সবগুলো অপশন খুঁজে বন্ধ করার উপায় একসাথে করে এখানে দিয়ে দেয়া হলো। মিইউআই ১০ চালিত সব ডিভাইসেই এই প্রক্রিয়ায় বিজ্ঞাপন বন্ধ করতে পারবেন।

কীভাবে শাওমি ফোনে বিজ্ঞাপন বন্ধ করব?

শাওমি ফোনের বিভিন্ন ফাংশনে দেখানো অ্যাড বন্ধ করতে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন।

  • প্রথমেই এমএসএ অ্যাপ এর অথোরাইজেশন বাতিলঃ মিইউআই সিস্টেম এডস নামক একটি হিডেন অ্যাপ আছে যা এর ইউজার ইন্টারফেসে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে। আপনি প্রথমেই Settings > Additional Settings > Authorization and Revocation অপশনে গিয়ে msa অ্যাপটির অথোরাইজেশন অফ করে দিবেন।

  • এডভারটাইজিং আইডেন্টিফায়ার বন্ধঃ Settings > Additional Settings > Privacy > User Experience Program অপশনে গিয়ে টগল বাটনটি চেপে এটি বন্ধ করে দিবেন। তাহলে এটি আর এডভারটাইজমেন্ট প্রদর্শনের অন্য আপনার ইউসেজ ডেটা সংগ্রহ করবে না।

  • ইন্সটলার বা স্ক্যানার এর এড বন্ধঃ এর জন্য আপনি গুগল প্লে বা ফোন স্টোরেজ থেকে যে কোন একটি অ্যাপ ইন্সটল করুন। ইন্টারনেট অন থাকলে দেখতে পাবেন অ্যাপটির ভাইরাস স্ক্যান করার স্ক্রিনে বিজ্ঞাপন দেখাচ্ছে। এখান থেকে উপরের দিকে থাকা গিয়ার আইকনে ক্লিক করে “রিসিভ রেকমেন্ডেশন” অপশনটি বন্ধ করে দিলে এখানে আর বিজ্ঞাপন দেখাবে না।

  • ইন্সটল করা অ্যাপ রেকমেন্ডেশন বন্ধঃ এজন্য Settings > Installed Apps এ গিয়ে উপরে থাকা থ্রি ডট মেন্যু আইকনে ক্লিক করে সেটিংস এ যান। তারপর রেকমেন্ডেশন অপশন বন্ধ করে দিন।

  • অ্যাপ লকারের বিজ্ঞাপন বন্ধঃ এজন্য Settings > App Lock এ গিয়ে গিয়ার আইকনে ট্যাপ করে সেটিংস এ প্রবেশ করুন। তারপর “Recommendations” অপশন বন্ধ করে দিন।

  • ফাইল ম্যানেজারের বিজ্ঞাপন বন্ধঃ এর জন্য আপনাকে ফাইল ম্যানেজারে ঢুকে Settings > About এ যেতে হবে এবং তারপর রেকমেন্ডেশন বন্ধ করে দিতে হবে।

  • সিকিউরিটি অ্যাপ এর বিজ্ঞাপন বন্ধঃ প্রথমেই অ্যাপ এ ঢুকে সেটিংস এ গিয়ে “Receive Recommendations” বন্ধ করে দিন। তারপর একই অ্যাপে Settings > Cleaner এবং Settings > Boost Speed অপশনে গিয়েও রেকমেন্ডেশন বন্ধ করে দিবেন।

  • মি ব্রাউজার এর বিজ্ঞাপন বন্ধঃ এই অ্যাপ এর বিজ্ঞাপনগুলো সবচেয়ে বিরক্তিকর হয়ে থাকে। এটা বন্ধ করতে অ্যাপের Settings > Privacy & Security সেকশনে গিয়ে “Personalized Services” অপশন বন্ধ করে ফেলুন।

  • ডাউনলোডার এর বিজ্ঞাপন বন্ধ করতেঃ অ্যাপে ঢুকে থ্রি ডট মেন্যু তে গিয়ে “Show Recommended Content” অপশনটি একেবারে বন্ধ করে রেখে দিন।

  • থিমস অ্যাপ এর বিজ্ঞাপন বন্ধ করতেঃ এজন্য থিমস অ্যাপে ঢুকে একাউন্ট অপশনে গিয়ে সেটিংস এ ঢুকুন। তারপর সেখান থেকে রেকমেন্ডেশন বন্ধ করে দিন।

  • মি মিউজিক অ্যাপ এর বিজ্ঞাপনঃ মিউজিক প্লেয়ারে ঢুকে ন্যাভিগেশন মেন্যুতে যান। তারপর Settings > Advanced Settings এ গিয়ে “Receive Recommendations“ বন্ধ করে ফেলুন।

  • মি ভিডিও অ্যাপ এর বিজ্ঞাপনঃ এজন্য Account > Settings থেকে “Online Recommendations” অপশনটি বন্ধ করে দিন। সেই সাথে “Push Notifications“  অপশনটিও বন্ধ করে রাখতে পারেন।

আশা করি এই পোস্টটি আপনার কাজে আসবে। আপনি যদি আরও কিছু টিপস জেনে থাকেন, কিংবা অন্য কিছু জানতে চান, তাহলে কমেন্টে শেয়ার করার অনুরোধ রইল।

 

আপনি যদি স্মার্টফোন কিনতে চান, তবে বাজারের প্রচুর পরিমাণ স্মার্টফোনের ভীড়ে আপনি অবশ্যই নিজেকে গুলিয়ে ফেলবেন। কারণ এখন প্রতিটি স্মার্টফোনে এমন নতুন নতুন বিষয় সংযুক্ত হচ্ছে যেগুলোর কারণে কোনটাকে বাদ দিয়ে কোনটা কিনবেন তা নিরূপণ করা কঠিন হয়ে পড়ে।

আপনি যদি স্মার্টফোন কিনতে চান, তবে বাজারের প্রচুর পরিমাণ স্মার্টফোনের ভীড়ে আপনি অবশ্যই নিজেকে গুলিয়ে ফেলবেন। কারণ এখন প্রতিটি স্মার্টফোনে এমন নতুন নতুন বিষয় সংযুক্ত হচ্ছে যেগুলোর কারণে কোনটাকে বাদ দিয়ে কোনটা কিনবেন তা নিরূপণ করা কঠিন হয়ে পড়ে।

২০১৯ সালে এসে স্মার্টফোন কোন বিলাসিতা কিংবা আয়েশের বস্তু নয় বরং এটা আপনার ডিজিটাল লাইফের জন্য অত্যাবশ্যক এক যন্ত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেকের আবার এখন নতুন স্মার্টফোন কেনা কিংবা দুই দিন পর পর স্মার্টফোন বদলানোটা শখ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সবার ক্ষেত্রে ব্যাপারটা কিন্তু এক না। অধিকাংশ ব্যবহারকারীই নতুন স্মার্টফোন কেনার আগে বাজেট, ফিচার, স্থায়িত্ব ও অন্যান্য বিষয় চিন্তা করে থাকেন।

একটি স্মার্টফোন অনেকগুলো যন্ত্রাংশ দিয়ে তৈরি। সব সার্ভিস বা ফিচার আপনার পক্ষে চেক করা সম্ভব না। কিন্তু এই পোস্টে দেয়া বিষয়গুলো নতুন স্মার্টফোন কেনার ক্ষেত্রে না দেখলেই নয়। একটি ভালো স্মার্টফোন কেনার সময় যে সকল বিষয় খেয়াল করতে হয় তা নিম্নে আলোচিত হল।

 

দাম ও বাজেট

সবার আগে যেটি খেয়াল রাখতে হবে সেটি হলো ফোনের জন্য আপনার বাজেট। স্মার্টফোন কিনতে আপনি কত টাকা খরচ করতে চান এবং সেই দামের মধ্যে কোন স্মার্টফোনটিতে সবচেয়ে বেশি ফিচার পাচ্ছেন সেটাই হবে আপনার জন্য বেস্ট ডিল। কারন আপনার বাজেট কম হলে হয়তো একটা স্মার্টফোনে লেটেস্ট সব টেকনোলজি কিংবা সব ফিচার পাবেননা, আর এটাই স্বাভাবিক। সেক্ষেত্রে একটু বেশি ঘাঁটাঘাঁটি করে আপনার বাজেটে কোন কোম্পানির কোন মডেলটি সবচেয়ে ভালো জিনিস দিচ্ছে সেটা নেয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

তবে আপনার বাজেট লিমিটেশন না থাকলে ভালো কোনো কোম্পানির লেটেস্ট ফ্ল্যাগশিপ মডেলটাই নেয়া উচিত। সেক্ষেত্রে আপনার চয়েজ করাও অনেকটা সহজ আর লেটেস্ট সব টেকনোলজিও পাচ্ছেন। আর সবার আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে ফ্ল্যাগশিপগুলো থাকায় আপনি ভালো  সাপোর্টও পাবেন।

আপনি যদি স্মার্টফোন কিনতে চান, তবে বাজারের প্রচুর পরিমাণ স্মার্টফোনের ভীড়ে আপনি অবশ্যই নিজেকে গুলিয়ে ফেলবেন। কারণ এখন প্রতিটি স্মার্টফোনে এমন নতুন নতুন বিষয় সংযুক্ত হচ্ছে যেগুলোর কারণে কোনটাকে বাদ দিয়ে কোনটা কিনবেন তা নিরূপণ করা কঠিন হয়ে পড়ে।

 সর্বপ্রথম আপনার বাজেট নির্ধারণ করুন

অপারেটিং সিস্টেম

স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে অপারেটিং সিস্টেম বাছাই করা খুবই গুরুত্বপূর্ন। কারণ আপনার ফোনের সফটওয়্যার রিলেটেড সকল এক্সপেরিয়েন্স এই অপারেটিং সিস্টেমের উপরই নির্ভর করবে। বর্তমানে ব্যবহারকারী সংখ্যা বিচারে এন্ড্রয়েড ওএস চালিত স্মার্টফোনের পরিমাণই সবচেয়ে বেশি। গুগলের তৈরি এই অপারেটিং সিস্টেমটি অনেক ফ্লেক্সিবল ও ফ্রি হওয়াতে ছোট বড় সব কোম্পানিই এই ওএস ব্যবহার করে। আধুনিক সব ফিচারই এতে আছে আর প্রায় সকল মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপারই এন্ড্রয়েডের জন্য তাদের অ্যাপ তৈরি করে।

অ্যাপলের আইওএস ও খুবই জনপ্রিয় এবং ফিচারবহুল। এর অ্যাপ স্টোরও অনেক সমৃদ্ধ। তবে অ্যাপলের ডিভাইসগুলোর দাম তুলনামূলক বেশি হওয়াতে সব শ্রেণির মানুষ এগুলো ব্যবহারের সুযোগ পায়না। এছাড়াও আরো বেশ কয়েকটি মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম রয়েছে। যেমনঃ মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ (বিলুপ্ত), সেইলফিশ ওএস, ফায়ারফক্স ওএস (বিলুপ্ত) ইত্যাদি। তবে প্রয়োজনীয় ডেভেলপার এনগেজমেন্ট না থাকায় এন্ড্রয়েড ও আইওএস ব্যতীত অন্য কোনো অপারেটিং সিস্টেমের ফোন এখন না কেনাটাই যুক্তিযুক্ত।

স্মার্টফোন প্রসেসর

সিস্টেম অন চিপ বা প্রচলিত সহজ কথায় সিপিইউ। এটি স্মার্টফোনের ব্রেইন। এর মাঝেই ইন্টিগ্রেটেড থাকে আপনার স্মার্টফোনের প্রসেসর, গ্রাফিক প্রসেসর,  ক্যাশ ও বিভিন্ন ওয়্যারলেস মডিউল। এটাকে চিপসেট আবার অনেকে শুধু প্রসেসর বলেন। তো বুঝতেই পারছেন এর গুরুত্ব কতখানি। আপনার স্মার্টফোনের সব ডেটা প্রসেসরই প্রসেস করে দেয়। আর এখনকার স্মার্টফোনগুলো শুধু কল কিংবা ব্রাউজিং করার মাঝেই সীমাবদ্ধ নয়।

তাই স্মার্টফোনের ডেটা দ্রুত প্রসেস করার জন্য আপনার চাই শক্তিশালী একটি প্রসেসর। আপনি নিশ্চয়ই কোনো একটি অ্যাপ এর আইকনে ট্যাপ করে সেটা ওপেন হওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে চাইবেন না! প্রসেসরের ভালো মন্দ নির্ভর করে প্রসেসরের ক্লক স্পিড, এর কোর সংখ্যা ও সাথে  আরো কয়েকটি বিষয়ের উপর। বিভিন্ন কোম্পানি স্মার্টফোনের জন্য চিপসেট তৈরি করে। যেমনঃ ইন্টেল, কোয়ালকম, স্যামসাং, হুয়াওয়ে, অ্যাপল, মিডিয়াটেক ইত্যাদি।

আপনি যদি স্মার্টফোন কিনতে চান, তবে বাজারের প্রচুর পরিমাণ স্মার্টফোনের ভীড়ে আপনি অবশ্যই নিজেকে গুলিয়ে ফেলবেন। কারণ এখন প্রতিটি স্মার্টফোনে এমন নতুন নতুন বিষয় সংযুক্ত হচ্ছে যেগুলোর কারণে কোনটাকে বাদ দিয়ে কোনটা কিনবেন তা নিরূপণ করা কঠিন হয়ে পড়ে।
প্রসেসর স্পিড, ব্যাটারি ইফিশিয়েন্সি খুবই গুরুত্বপূর্ণ

মোবাইলের ক্ষেত্রে ব্যবহারকারী বিচারে মিডিয়াটেক এগিয়ে থাকলেও পারফরমেন্স বিচারে কোয়ালকমের স্ন্যাপড্রাগন সিরিজের চিপসেটই সবচেয়ে জনপ্রিয়। স্ন্যাপড্রাগন এর ব্যাটারি ব্যাকআপও তুলনামূলক ভালো। এছাড়া স্যামসাং এর এক্সিনস, হুয়াওয়ে এর কিরিন ও বেশ ভালো প্রতিযোগিতা করছে। আর অ্যাপল তাদের ফোনে নিজেদের শক্তিশালী প্রসেসর ইউজ করে। তাই আপনি যদি আপনার মোবাইলে রেগুলার মাল্টিটাস্কিং বা গেমিং করেন তাহলে ভালো একটি চিপসেট সম্বলিত মোবাইল অবশ্যই কিনবেন। সাথে কোন মডেলের জিপিইউ রয়েছে সেটাও দেখে নিবেন।

র‍্যাম

আগেই বলে রাখছি- ফোন, পিসি বা এরকম ইলেকট্রনিকস ডিভাইসে মেমোরি দুই ধরনের। একটা হচ্ছে রম ও আরেকটা হচ্ছে র‍্যাম। র‍্যাম হল অস্থায়ী মেমোরি যাতে প্রসেসর ডেটাগুলোকে অস্থায়ীভাবে জমা রাখে। তাই র‍্যামের পরিমাণ সাধারণত রম বা স্টোরেজের চেয়ে অনেক কম হয়। র‍্যাম যত বেশি হবে আপনার ফোনও তত স্মুদলি চলার সম্ভাবনা বেশি হবে। পাশাপাশি ব্যাকগ্রাউন্ডেও আপনি অনেক অ্যাপ চালু রাখতে পারবেন।

স্টোরেজ বা রম

অপরদিকে রম বা স্টোরেজের কথা বিবেচনা করলে ভাবতে হবে, এখানে আপনার অপারেটিং সিস্টেম ও অ্যাপস থাকবে এবং এর বাকি অংশ আপনার ইন্টারনাল স্টোরেজ হিসেবে ব্যবহৃত হবে যাতে আপনি অ্যাপ, ছবি, ভিডিও, ফাইল ইত্যাদি রাখতে পারবেন। এটা আপনার প্রয়োজনমত নিতে পারেন। তবে ১৬ জিবির কম স্টোরেজের ফোন না নেয়াই ভাল এবং ফ্ল্যাগশিপগুলোতে আপনি আজকাল ২৫৬ জিবি বা আরও বেশি স্টোরেজ পাচ্ছেন। যেসব ফোনে মাইক্রোএসডি বা মেমরি কার্ড স্লট আছে সেসব ফোন কিনলে আপনাকে স্টোরেজ নিয়ে আর চিন্তা করতে হবে না।

ডিসপ্লে

স্মার্টফোনগুলোতে সব ইন্টার‍্যাকশন মূলত এর স্ক্রিন দিয়েই হয়। তাই এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্মার্টফোনের স্ক্রিন আজকাল  পাঁচ থেকে সাড়ে ছয় ইঞ্চি পর্যন্ত ‘কমন’ ধরা হয়। আপনি এক হাতে ফোন ইউজ করতে চাইলে সাড়ে পাঁচ ইঞ্চির উপরে না যাওয়াই ভালো। বেশি রেজ্যুলেশনের ডিসপ্লেতে কন্টেন্ট বেশি স্পষ্ট ও ঝকঝকে দেখায়। তাই কমপক্ষে এইচডি রেজ্যুলেশনের ডিসপ্লে নেয়া ভালো। আজকাল ভাল মানের ফোনগুলোতে ফুল এইচডি থেকে শুরু করে ৪কে রেজ্যুলেশনের ডিসপ্লেও পাওয়া যায়। স্ক্রিনের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাতও বিবেচ্য বিষয়।

আধুনিক স্মার্টফোনের ডিসপ্লের এস্পেক্ট রেশিও ১৮:৯ কিংবা ১৮.৫:৯ হয় যা আগের ১৬:৯ এস্পেক্ট রেশিওর ফোনের চেয়ে বেশি চিকন। ফলে হাতে ধরতেও সহজ আবার দেখতেও সুন্দর লাগে। আপনার ফোনের প্যানেলটি কি এলসিডি, ওলেড নাকি এমোলেড সেটিও দেখতে পারেন। কারণ একেক প্রযুক্তির ডিসপ্লেতে একেক ধরনের ফিচার রয়েছে। এলসিডি স্ক্রিনের ফোনের দাম এমোলেড কিংবা ওলেড স্ক্রিনের চেয়ে তুলনামূলক কম। ফোন কেনার আগে দোকানের স্যাম্পল ডিভাইসে অবশ্যই স্ক্রিন কোয়ালিটি দেখে নিবেন।

ক্যামেরা

মধ্যবিত্তের ডিএসএলআর বা মিররলেস ক্যামেরার স্বপ্ন পূরণ করছে স্মার্টফোন ক্যামেরা। স্মার্টফোনের ক্যামেরাগুলো আজকাল ভালোই উন্নতি করেছে। একসময় স্মার্টফোনের সামনে একটা ও পিছনে আরেকটা ক্যামেরা থাকলেও আজকাল শুধু পিছনেই ২ থেকে ৩ টি ক্যামেরা (নকিয়া ৯ ফোনে তো ৫টি ব্যাক ক্যামেরা) চোখে পড়ে। স্মার্টফোনের ক্যামেরার রেজ্যুলেশন যত বেশি বা মেগাপিক্সেল যত বেশি হবে স্মার্টফোনে তোলা ছবি তত বড় ডিসপ্লেতে দেখতে সুবিধা তত বেশি। তবে মেগাপিক্সেলই সবকিছু নয়।


আপনি যদি স্মার্টফোন কিনতে চান, তবে বাজারের প্রচুর পরিমাণ স্মার্টফোনের ভীড়ে আপনি অবশ্যই নিজেকে গুলিয়ে ফেলবেন। কারণ এখন প্রতিটি স্মার্টফোনে এমন নতুন নতুন বিষয় সংযুক্ত হচ্ছে যেগুলোর কারণে কোনটাকে বাদ দিয়ে কোনটা কিনবেন তা নিরূপণ করা কঠিন হয়ে পড়ে।

ক্যামেরার অ্যাপারচার কিংবা আইএসও সেন্সিটিভিটি এর কথাও মাথায় রাখতে হবে। বড় এপারচার এর ক্যামেরা ফোন কিনলে সেটি বেশি আলো গ্রহণ করতে পারবে ফলে কম আলোতেও ভালো ছবি তুলতে পারবে। পিক্সেল সাইজ যাতে বড় থাকে সেটাও একই কারণে লক্ষণীয়। ভিডিওর ক্ষেত্রে আপনার মেইন ক্যামেরা যেন অন্তত ৩০ ফ্রেমস/সেকেন্ড রেটে ১০৮০পি রেজুলেশনে ভিডিও করতে পারে সেটা খেয়াল রাখবেন। আর ৪কে রেজুলেশনের ভিডিও করতে পারলেতো সেটা খুবই ভালো। অনেক স্মার্টফোনে ইমেজ স্ট্যাবিলাইজেশন ফিচার থাকে বলে ভিডিও কাঁপেনা। এই ফিচারটি ও আছে কিনা দেখে নিতে পারেন।

ব্যাটারি

স্মার্টফোন যেহেতু একটি কানেক্টেড ডিভাইস তাই সকলেই চান যে তাদের ফোনটা সারাক্ষণ নেটওয়ার্কের মাঝে থাকুক। কিন্তু স্মার্টফোনের ক্যাপাবিলিটি যেমন বেড়েছে সেই তুলনায় এর ব্যাটারি ব্যাকআপ টাইম খুব বেশি বাড়েনি। তাই বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যাটারিওয়ালা স্মার্টফোন কেনা উচিত। আজকাল ৩০০০ মিলিএম্পিয়ার/আওয়ার (mAh) এর কম মানের ব্যাটারির ফোন না নেয়াই উচিত।

আপনি যদি স্মার্টফোন কিনতে চান, তবে বাজারের প্রচুর পরিমাণ স্মার্টফোনের ভীড়ে আপনি অবশ্যই নিজেকে গুলিয়ে ফেলবেন। কারণ এখন প্রতিটি স্মার্টফোনে এমন নতুন নতুন বিষয় সংযুক্ত হচ্ছে যেগুলোর কারণে কোনটাকে বাদ দিয়ে কোনটা কিনবেন তা নিরূপণ করা কঠিন হয়ে পড়ে।

৪০০০ মিলিএম্প এর ব্যাটারিতে আপনি নরমাল থেকে হেভি ব্যবহারে প্রায় ১ দিনের মত ব্যাটারি ব্যাকআপ পাবেন। তবে কিছু কিছু ফোনে আরো বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যাটারিও পাওয়া যায়। পাশাপাশি দ্রুত ফোন চার্জ হওয়ার জন্য আপনার ফোনটি কুইক চার্জ সাপোর্ট করে কি না সেটিও দেখা উচিত। অবশ্য, ব্যাটারির ধারণক্ষমতার পাশাপাশি ফোনের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার কতটা বিদ্যুৎ ব্যবহার করছে তার ওপরও ব্যাকআপ টাইম অনেকাংশে নির্ভর করে। গত বছর আসুস উন্মোচন করেছিল জেনফোন ম্যাক্স প্রো এম১ স্মার্টফোন, যাতে রয়েছে ৫০০০ এমএএইচ ব্যাটারি!

স্মার্টফোনের বাজারে এখন বিভিন্ন দামের ও কনফিগারেশনের স্মার্টফোন পাওয়া যায়। একটি স্মার্টফোনের দাম নির্ভর করবে স্মার্টফোনটির কনফিগারেশনের উপর। তবে দামের ক্ষেত্রে ক্রেতাই ভালো বলতে পারবেন যে কোন স্মার্টফোনটি তার জন্য সবচেয়ে ভালো। শাওমি (Xiaomi), হুয়াওয়ে, অপো, আসুস এবং ওয়ানপ্লাস মধ্যম দামে অসাধারণ সব স্মার্টফোন দিচ্ছে। অবশ্য, “ভ্যালু ফর মানি” বলেও একটা কথা আছে। বেশি বাজেট হলে আপনি স্যামসাং গ্যালাক্সি, গুগল পিক্সেল কিংবা অ্যাপল আইফোন কিনতে পারেন।


 




MX player background change

MX player এর ব্যাকগ্রাউন্ডে আপনার ছবি লাগাতে পারবেন

তো বুঝতেই পারছেন কেমন হতে যাচ্ছে আজকের পোস্টটি তো আর কথা না বাড়িয়ে চলুন শুরু করি এর জন্য আপনাকে প্রথমে MX Player এর Mod Version টা ডাউনলোড করতে হবে ও Apk Editor অ্যাপ টি ডাউনলোড করতে হবে। দুইটা অ্যাপ এর লিংক আমি নিচের দিয়ে দিয়েছি। সেখান থেকে ডাউনলোড করে নিন।


1. Mx player Mod

2. APK Editor

দুইটা অ্যাপ ডাউনলোড করার পর apk editor টি ইন্সটল করুণ, ইন্সটল করে ওপেন করুণ। তার পর select an apk file এ ক্লিল করুণ।

how-to-change-mx-player-background
MX player background change

তার পর আপনি যে ফল্ডারে ডাউনলোড করেছেন সেই ফল্ডারে গিয়ে MX Player এর উপর ক্লিক করুন। ক্লিক করে দ্বিতীয় অপশন মানে Simple Edit এ ক্লিক করুণ।

how-to-change-mx-player-background
MX player background change

তার পর উপর থেকে Image এ ক্লিক করুণ। ও ক্রোল করে একেবারে নিচে গিয়ে দেখতে পাবেন নিচের স্ক্রিনশট এর মতো একটি ফটো তার পাসের edit আইকন এ ক্লিক করুণ।

how-to-change-mx-player-background
MX player background change

 তার পর আপনি যে ছবি লাগাবেন সেই ছবি সিলেক্ট করুণ। সিলেক্ট করে নিচে থেকে Save এ ক্লিক করুণ।তার পর আগের mx player টি রিমুভ লিখা অপশন এ ক্লিক করে ডিলিট করুণ এবং তার পর ইন্সটল লিখাতে ক্লিক করুণ।

how-to-change-mx-player-background
MX player background change

 

তো ইন্সটল হয়ে গেলে দেখতে পাবেন আপনার ছবি mx player background এ দেখাবে যেমন আমারটা:-

how-to-change-mx-player-background
MX player background change

 


শেয়ারইট

Zapya-for-android

বাংলাদেশের অধিকাংশ স্মার্টফোন ব্যবহারকারীই সীমিত মোবাইল ডেটা ব্যবহার করায় ফাইল আদান-প্রদানে অ্যাপভিত্তিক শেয়ারিং পছন্দ করেন। ফাইল শেয়ারিংয়ে ব্লুটুথ এর ব্যবহার দীর্ঘদিন আগেই সেকেলে হয়ে গেছে। ওয়াইফাই ভিত্তিক ফাইল শেয়ারিং সিস্টেম এন্ড্রয়েডের শুরুর দিনগুলো থেকেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এক্ষেত্রে শেয়ারইট তার একচেটিয়া আধিপত্য ধরে রাখলেও সম্প্রতি অনেকেই এর বিকল্প অ্যাপ খুঁজতে শুরু করেছেন।

বর্তমানে শেয়ারইটের মতই উন্নত ফিচার নিয়ে আরো বেশ কিছু বিকল্প ফাইল শেয়ারিং অ্যাপ আপনি পাবেন। এই পোস্টে শেয়ারইটের বিকল্প অ্যাপগুলোর সাথেই আপনাকে পরিচয় করানো হবে।

মি ড্রপ

Zapya-for-android
শেয়ারইটের বিকল্প

শাওমি তাদের মিইউআই ৯ রিলিজের সাথে সাথেই নিজস্ব ফাইল শেয়ারিং অ্যাপ মি ড্রপ বা এমআই ড্রপ রিলিজ করেছিলো। এটা মিইউআই/এমআইইউআই চালিত শাওমি ফোনে ইন্সটল করাই থাকে। পাশাপাশি অ্যাপটি গুগল প্লে স্টোরে বিনামূল্যে পাওয়া যায়, যা আপনি সকল ব্র্যান্ডের এন্ড্রয়েড ফোনেই ব্যবহার করতে পারবেন। শেয়ারইটের বিকল্প এই মি ড্রপ অ্যাপে কোনো ধরনের বিজ্ঞাপনই প্রদর্শন করে না- অন্তত এখন পর্যন্ত না। এর ইউজার ইন্টারফেস খুব সিম্পল। অ্যাপটির নিজের সাইজ খুব অল্প। ওয়াইফাই দিয়ে যে কোনো ধরনের ফাইল শেয়ার করার পাশাপাশি এর মাধ্যমে আপনি আপনার ফোনকে একটি এফটিপি সার্ভার হিসেবে সেট করতে পারবেন এবং সেইম ওয়াইফাই নেটওয়ার্কে থাকা একটি পিসি দিয়ে ফোনের স্টোরেজ থেকে ফাইল পিসিতে আদান প্রদান করতে পারবেন। মি ড্রপ বা এমআই ড্রপ অ্যাপ ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন।

জাপিয়া

Zapya-for-android
শেয়ারইটের বিকল্প

এটা অনেক পুরনো একটা ফাইল শেয়ারিং অ্যাপ। শেয়ারইটের বিকল্প এই অ্যাপ শেয়ারইটের মতই ওয়াইফাই দিয়ে কাজ করে। জাপিয়া ক্রস প্লাটফর্ম হওয়ায় আপনি এটি ম্যাক, উইন্ডোজ পিসি ও ফোনে ব্যবহার করতে পারবেন। স্টোরেজ ক্লোনিং, অফলাইন চ্যাট সহ আকর্ষণীয় কিছু ফিচার আছে এতে। পাশাপাশি একবারে অনেকজনের সাথে শেয়ার করার জন্য গ্রুপ শেয়ারিং তো আছেই। এখন পর্যন্ত এটাতে কোনো বিজ্ঞাপন আসেনা। এটার একটা লাইটওয়েট এডিশনও আছে লো-এন্ড ফোনের জন্য যা জাপিয়া গো নামে পরিচিত। জাপিয়া এন্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন। জাপিয়া গো অ্যাপ ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন। আইফোনের জন্য এখানে দেখুন।

জেন্ডার

Zapya-for-android
শেয়ারইটের বিকল্প

এটাও একটা ক্রস-প্ল্যাটফর্ম ফাইল ট্র্যান্সফার অ্যাপ। এতে ফোন রেপ্লিকেশন, যে কোনো সাইজের ফাইল পাঠানোর মত কমন ফিচারগুলো তো রয়েছেই, সাথে সহজে ইমেজ ফাইল শেয়ার করার জন্য আছে স্লাইড টু শেয়ার অপশন। শেয়ারইটের বিকল্প এই অ্যাপ বিল্ট-ইন ফাইল ম্যানেজারও আছে। এখন পর্যন্ত এটাতে কোনো বিজ্ঞাপন আসেনা। তাছাড়া আপনি অন্য ফোনে কানেক্ট করার সাথে সাথে ঐ ফোনে ইন্সটল থাকা অ্যাপগুলো দেখতে পারবেন। জেন্ডার এন্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন। আইফোনের জন্য এখানে দেখুন।

গুগল ফাইলস গো

Zapya-for-android
শেয়ারইটের বিকল্প

গুগল এন্ড্রয়েড গো এডিশনের আওতায় তাদের বেশ কিছু অ্যাপের লাইটওয়েট এডিশন নিয়ে এসেছে। এন্ড্রয়েডে মেইন্সট্রিম কোনো ফাইল ম্যানেজার অ্যাপ না থাকলেও এন্ড্রয়েড গো বেইজড ফোনে ডিফল্টভাবে গুগলের ফাইলস গো নামের অ্যাপটি ইন্সটল করা থাকে। শেয়ারইটের বিকল্প এই অ্যাপটি চাইলে গুগল প্লে থেকে বিনামূল্যে যে কোনো এন্ড্রয়েড ফোনের জন্যই পাওয়া যায়। এটি মূলত ছোট্ট একটা ফাইল ম্যানেজার হলেও এর মাধ্যমে আপনি শেয়ারইটের মত দ্রুতগতিতে ফাইল শেয়ার করতে পারবেন। এটি বেশি জায়গাও দখল করেনা আবার সম্পুর্ন বিজ্ঞাপনমুক্ত। গুগল ফাইলস গো এন্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন।

Popular Posts

Blog Archive