Facebook লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Facebook লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

 
Fb-com
 নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেম আনছে ফেসবুক

অকুলাস কিংবা অগুমেন্টেড রিয়েলিটি গ্লাস এর মত হার্ডওয়্যার এর জন্য ফেসবুককে গুগল এর এন্ড্রয়েড অপারেটিংস সিস্টেম এর উপর নির্ভর করতে হয়, যা ফেসবুক এর জন্য অবশ্যই কোনো সুখকর অভিজ্ঞতা নয়। দ্যা ইনফরমেশন এর তথ্যমতে, ফেসবুক সম্প্রতি উইন্ডোজ এনটি এর সহ-উদ্ভাবক, মার্ক লুকভস্কাই কে একটি সম্পূর্ণ নতুন অপারেটিং সিস্টেম তৈরির দায়িত্বভার দিয়েছে।

ফেসবুক এর হার্ডওয়্যার এর ভাইস প্রেসিডেন্ট, এন্ড্রু বসওর্থ বলেন, “আমরা এটি নিশ্চিত করতে চাই যে, পরবর্তী প্রজন্মের কাছে যেনো আমরা যথাযোগ্য স্থান পাই। সেক্ষেত্রে আমরা অন্য প্রতিযোগীদের বিশ্বাস করতে পারছি না, তাই আমরা নিজেরাই কাজটি করতে চাই।”

আই ওএস (Eye OS)

নিজেদের অপারেটিং সিস্টেম তৈরির মাধ্যমে ফেসবুক সোস্যাল ইন্টারেকশন এবং গোপনীয়তা প্রদানের ক্ষেত্রে স্বাধীনভাবে পদক্ষেপ নিতে পারবে। ফেসবুক জানায় যে এই উদ্যোগ শুধুমাত্র এআর গ্লাস এর জন্য। এছাড়াও এর মাধ্যমে ফেসবুক আরও কিছু অধিগ্রহণ থেকে বেরিয়ে আসতে পারবে, যা তাদের প্রতিযোগীদের কাছে তাদের শক্তিশালী করে তুলবে। বিশেষত যদি ফেসবুক তাদের অগুমেন্টেড রিয়েলিটি গ্লাস ইনস্টাগ্রাম ব্র্যান্ডিং এ ব্যবহার করতে পারে।

নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেম না থাকার জন্য ফেসবুক এর অনেক আগে থেকেই আক্ষেপ ছিল। ভক্স এর তথ্যমতে, ২০১৩ সালে ফেসবুক একটি গোপন প্রজেক্টে কাজ করছিল যা কোডনেম ছিল অক্সিজেন। এই প্রজেক্টটির কাজ ছিল প্রয়োজনে প্লে স্টোরের বাইরে এন্ড্রয়েড এপ ডিস্ট্রিবিউট এর ব্যবস্থা করা। এছাড়াও নিজেদের মোড়কে এইচটিসি এর সাথে পার্টনাশিপ করে ফেসবুক ফোন নামে এন্ড্রয়েড ফোন বাজারে ছেড়েছিল ফেসবুক। তবে এই পণ্যটি ফেসবুক এবং এইচটিসি এর ব্যর্থ প্রোডাক্টগুলোর মধ্যে একটি হিসেবে বিবেচিত হয়।

বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ

পূর্ববর্তী ভূলগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে যেতে বদ্ধপরিকর ফেসবুক। সে লক্ষ্যে নিজেদের হেডকোয়ার্টার থেকে ১৫ মাইল উত্তরে ৪০০০ কর্মচারী নিয়ে বার্লিনগেম এ ৭০হাজার স্কোয়ারফিট এর এআর/ভিআর টিম এর জন্য অফিস নির্মাণ করেছে ফেসবুক। 

এছাড়াও হার্ডওয়্যার জগতে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বাড়াতে ৪.৫বিলয়ন ডলারের বিনিময়ে সেমিকন্ডাক্টর কোম্পানি সিরাস লজিক কে কিনে নেয় ফেসবুক, যা অ্যাপল এবং অন্যদের জন্য অডিও চিপ তৈরি করে। এসব উদ্যোগ এর মাধ্যমে পুনরায় বাজারে নিজেদের হারানো স্থান ফিরে পাবে বলে আশাবাদী ফেসবুক। 

 
fb-messenger-hd-videos-360-photos

ইউজার প্রাইভেসি নিয়ে যতই সমস্যার মধ্যে থাকুক না কেন, নতুন নতুন সুবিধা চালু করা থেকে বিরত নেই ফেসবুক। কিছুদিন আগেই মেসেঞ্জার লাইট অ্যাপে চালু হয়েছে অডিও-ভিডিও কল। আর আজ কোম্পানিটি মূল মেসেঞ্জার অ্যাপে চালু করেছে এইচডি ভিডিও এবং ৩৬০ডিগ্রি ফটো শেয়ার করার সুবিধা।

মেসেঞ্জারের এই নতুন ফিচারের মাধ্যমে আপনি এতে ৭২০পি রেজ্যুলেশনের ভিডিও মেসেজের মাধ্যমে অন্যদের পাঠাতে পারবেন। তবে এই ভিডিওগুলো মেসেঞ্জারের মধ্য থেকে সরাসরি রেকর্ড করা যাবেনা, বরং আগে থেকে রেকর্ডকৃত এইচডি ভিডিও মোবাইলের গ্যালারি কিংবা নিউজফিড থেকে মেসেঞ্জারের মাধ্যমে বন্ধুদের পাঠাতে পারবেন।

আরেকটি নতুন ফিচার, ৩৬০ডিগ্রি ফটো শেয়ারিং ব্যবহার করে আপনি ফোন ৩৬০ডিগ্রি কোণে ঘুরিয়ে চারপাশের বড় আকারের ছবি তুলে মেসেঞ্জারে শেয়ার করতে পারবেন। এক্ষেত্রেও মেসেঞ্জারের মধ্য থেকে ৩৬০ডিগ্রি ছবি তোলা যাবেনা; ফোনের মূল ক্যামেরা অ্যাপ অথবা অন্য কোনো অ্যাপ ব্যবহার করে আগে ৩৬০ ডিগ্রি ছবি তুলে তারপর মেসেঞ্জারে শেয়ার করা যাবে। নতুন এই সুবিধাদুটি উপভোগ করার জন্য ফোনের মেসেঞ্জার অ্যাপটি আপডেট করে নিতে হবে।

মেসেঞ্জারে নিয়মিত নতুন নতুন ফিচার যোগ করছে ফেসবুক। এখন মেসেঞ্জারে গেম খেলা যায়। এছাড়া ৪কে ইমেজ এবং রিয়েল-টাইম লোকেশনও শেয়ার করা যায় অ্যাপটিতে, যা মেসেঞ্জারের বাইরেই তুলতে হয়। কারণ, মেসেঞ্জারের মধ্যে ক্যামেরা ফাংশন ব্যবহার করে ছবি তুললে বা ভিডিও করলে সেগুলোর সাইজ এবং রেজ্যুলেশন কম হয়, যা তুলনামূলক কম গতির ইন্টারনেটেও দ্রুত আদানপ্রদান করা সম্ভব।

 

 আপনি কি ডার্ক মোড এর ব্যাপারে জানেন? সম্প্রতি ফেসবুক মেসেঞ্জারে ডার্ক মোড চালু হয়েছে। ডার্ক মোড হচ্ছে এমন একটি ফিচার যা স্ক্রিনের খালি অংশগুলো কালো করে দেয়। সাধারণত স্ক্রিনের খালি অংশ সাদা হয়ে থাকে। ডার্ক মোড চালু করলে সেই সাদা অংশগুলো কালো হয়ে যায়। তখন স্ক্রিনের স্বাভাবিক কালো অংশগুলো দেখার সুবিধার্থে সাদা হয়ে যায়।  মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের কথাই ধরুন। সাধারণত এর পেজগুলো সাদা থাকে আর লেখাগুলো কালো রঙের হয়। এখন, এমএস ওয়ার্ডে যদি ডার্ক মোড চালু করা হয় তাহলে বাই ডিফল্ট এর পেজগুলো কালো হবে এবং লেখাগুলো সাদা হবে। তো, মেসেঞ্জারের ক্ষেত্রে ডার্ক মোড অনেকটা এরকমই।

ফেসবুক মেসেঞ্জারে ডার্ক মোড চালু করার উপায়

আপনি কি ডার্ক মোড এর ব্যাপারে জানেন? সম্প্রতি ফেসবুক মেসেঞ্জারে ডার্ক মোড চালু হয়েছে। ডার্ক মোড হচ্ছে এমন একটি ফিচার যা স্ক্রিনের খালি অংশগুলো কালো করে দেয়। সাধারণত স্ক্রিনের খালি অংশ সাদা হয়ে থাকে। ডার্ক মোড চালু করলে সেই সাদা অংশগুলো কালো হয়ে যায়। তখন স্ক্রিনের স্বাভাবিক কালো অংশগুলো দেখার সুবিধার্থে সাদা হয়ে যায়। 

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের কথাই ধরুন। সাধারণত এর পেজগুলো সাদা থাকে আর লেখাগুলো কালো রঙের হয়। এখন, এমএস ওয়ার্ডে যদি ডার্ক মোড চালু করা হয় তাহলে বাই ডিফল্ট এর পেজগুলো কালো হবে এবং লেখাগুলো সাদা হবে। তো, মেসেঞ্জারের ক্ষেত্রে ডার্ক মোড অনেকটা এরকমই।

ফেসবুক মেসেঞ্জারের ডার্ক মোড ফিচারটি সম্প্রতি কয়েকটি দেশের ব্যবহারকারীদের জন্য চালু করে দেয়া হয়েছে। সেসব দেশের ফেসবুক ব্যবহারকারীরা মেসেঞ্জারে লগইন করে সেটিংস থেকে ডার্ক মোড চালু করতে পারছেন।

তবে বাংলাদেশের ব্যবহারকারীদের জন্য এখনো অফিসিয়ালি ডার্ক মোড আসেনি, তাই সরাসরি মেসেঞ্জারের সেটিংসে এই অপশন পাওয়া যাবেনা।

অবশ্য একটু বুদ্ধি করে ট্রিকস খাটিয়ে আপনি এখনই মেসেঞ্জারে ডার্ক মোড পেতে পারেন। এজন্য নিচের উপায় অনুসরণ করুন।

কীভাবে মেসেঞ্জারে ডার্ক মোড চালু করব?

প্রথমে মেসেঞ্জার অ্যাপ আপডেট করে নিন। এরপর মেসেঞ্জারে কোনো একজন বন্ধুকে এই চাঁদ ইমোজি 🌙 পাঠান। তাকেও চাঁদ ইমোজিটি 🌙 কপি করে আপনাকে পাঠাতে বলুন। (কপি করার জন্য ইমোজির উপর ক্লিক/টাচ করে কয়েক সেকেন্ড ধরে রাখতে হবে। এরপর কপি অপশন আসবে।

 আপনি কি ডার্ক মোড এর ব্যাপারে জানেন? সম্প্রতি ফেসবুক মেসেঞ্জারে ডার্ক মোড চালু হয়েছে। ডার্ক মোড হচ্ছে এমন একটি ফিচার যা স্ক্রিনের খালি অংশগুলো কালো করে দেয়। সাধারণত স্ক্রিনের খালি অংশ সাদা হয়ে থাকে। ডার্ক মোড চালু করলে সেই সাদা অংশগুলো কালো হয়ে যায়। তখন স্ক্রিনের স্বাভাবিক কালো অংশগুলো দেখার সুবিধার্থে সাদা হয়ে যায়।  মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের কথাই ধরুন। সাধারণত এর পেজগুলো সাদা থাকে আর লেখাগুলো কালো রঙের হয়। এখন, এমএস ওয়ার্ডে যদি ডার্ক মোড চালু করা হয় তাহলে বাই ডিফল্ট এর পেজগুলো কালো হবে এবং লেখাগুলো সাদা হবে। তো, মেসেঞ্জারের ক্ষেত্রে ডার্ক মোড অনেকটা এরকমই।

 

 আপনাকে চাঁদ ইমোজি পাঠালে সে ইমোজি টাচ/ক্লিক করলেই দেখবেন মেসেঞ্জারে অনেকগুলো চাঁদ ইমোজি ওড়ার ইফেক্ট দেখা যাবে।

 আপনি কি ডার্ক মোড এর ব্যাপারে জানেন? সম্প্রতি ফেসবুক মেসেঞ্জারে ডার্ক মোড চালু হয়েছে। ডার্ক মোড হচ্ছে এমন একটি ফিচার যা স্ক্রিনের খালি অংশগুলো কালো করে দেয়। সাধারণত স্ক্রিনের খালি অংশ সাদা হয়ে থাকে। ডার্ক মোড চালু করলে সেই সাদা অংশগুলো কালো হয়ে যায়। তখন স্ক্রিনের স্বাভাবিক কালো অংশগুলো দেখার সুবিধার্থে সাদা হয়ে যায়।  মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের কথাই ধরুন। সাধারণত এর পেজগুলো সাদা থাকে আর লেখাগুলো কালো রঙের হয়। এখন, এমএস ওয়ার্ডে যদি ডার্ক মোড চালু করা হয় তাহলে বাই ডিফল্ট এর পেজগুলো কালো হবে এবং লেখাগুলো সাদা হবে। তো, মেসেঞ্জারের ক্ষেত্রে ডার্ক মোড অনেকটা এরকমই।

তখনই চ্যাট স্ক্রিনের ওপরের দিকে তাকালে ডার্ক মোড চালু করার বাটন পাবেন। অথবা মেসেঞ্জারের উপরের দিকে বাম পাশে অপনার যে প্রোফাইল ইমেজ দেখা যায়, সেই ছোট ইমেজে ক্লিক করে মেসেঞ্জার সেটিংসে যান।

 আপনি কি ডার্ক মোড এর ব্যাপারে জানেন? সম্প্রতি ফেসবুক মেসেঞ্জারে ডার্ক মোড চালু হয়েছে। ডার্ক মোড হচ্ছে এমন একটি ফিচার যা স্ক্রিনের খালি অংশগুলো কালো করে দেয়। সাধারণত স্ক্রিনের খালি অংশ সাদা হয়ে থাকে। ডার্ক মোড চালু করলে সেই সাদা অংশগুলো কালো হয়ে যায়। তখন স্ক্রিনের স্বাভাবিক কালো অংশগুলো দেখার সুবিধার্থে সাদা হয়ে যায়।  মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের কথাই ধরুন। সাধারণত এর পেজগুলো সাদা থাকে আর লেখাগুলো কালো রঙের হয়। এখন, এমএস ওয়ার্ডে যদি ডার্ক মোড চালু করা হয় তাহলে বাই ডিফল্ট এর পেজগুলো কালো হবে এবং লেখাগুলো সাদা হবে। তো, মেসেঞ্জারের ক্ষেত্রে ডার্ক মোড অনেকটা এরকমই।

সেখানে আপনার নামের ঠিক নিচেই ডার্ক মোড চালু/বন্ধ করার অপশন পাবেন।


 আপনি কি ডার্ক মোড এর ব্যাপারে জানেন? সম্প্রতি ফেসবুক মেসেঞ্জারে ডার্ক মোড চালু হয়েছে। ডার্ক মোড হচ্ছে এমন একটি ফিচার যা স্ক্রিনের খালি অংশগুলো কালো করে দেয়। সাধারণত স্ক্রিনের খালি অংশ সাদা হয়ে থাকে। ডার্ক মোড চালু করলে সেই সাদা অংশগুলো কালো হয়ে যায়। তখন স্ক্রিনের স্বাভাবিক কালো অংশগুলো দেখার সুবিধার্থে সাদা হয়ে যায়।  মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের কথাই ধরুন। সাধারণত এর পেজগুলো সাদা থাকে আর লেখাগুলো কালো রঙের হয়। এখন, এমএস ওয়ার্ডে যদি ডার্ক মোড চালু করা হয় তাহলে বাই ডিফল্ট এর পেজগুলো কালো হবে এবং লেখাগুলো সাদা হবে। তো, মেসেঞ্জারের ক্ষেত্রে ডার্ক মোড অনেকটা এরকমই।

প্রথমবার ডার্ক মোড চালু করার সময় ফেসবুক নোটিশ দেখাবে যে এই ফিচারটি পুরোপুরি তৈরি না। অর্থাৎ আরো কিছুদিন পর তারা এটি পুরোপুরি রিলিজ দেবে। তবে এখনই আপনি উপরের নিয়মে এটা ব্যবহার করতে পারেন।

messenger-chat-delete



ফেসবুক বা মেসেঞ্জারে বন্ধুবান্ধব কিংবা বিভিন্ন গ্রুপে অনেক চ্যাট করেন কিন্তু ভুল করে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত মেসেজ অন্যজনকে পাঠিয়ে দেননি এমন মানুষ পাওয়া দুষ্কর। এতদিন মেসেঞ্জারে চ্যাট করার সময় কাউকে ভুল করে কিছু সেন্ড করে দিলে সেটি আর ঠেকানো বা মুছে ফেলা যেত না।

মেসেঞ্জারের মধ্যে ডিলিট অপশন ব্যবহার করলে এতদিন মেসেজটি শুধুমাত্র আপনার কাছ থেকে মুছে যেত। কিন্তু অপর প্রান্তের ব্যক্তি মেসেজটি ঠিকই দেখতে পেতেন। যার ফলে অনেকসময় বিভিন্ন ভুল বুঝাবুঝির সৃষ্টি হয়।

তবে সুখবর হলো, ফেসবুক মেসেঞ্জারের একটি নতুন ফিচারের মাধ্যমে আপনি চাইলেই কাউকে পাঠানো মেসেজ উভয় প্রান্ত থেকে মুছে দিতে পারবেন। অর্থাৎ যাকে আপনি মেসেজটি পাঠিয়েছিলেন তিনিও আর ফেসবুকে/মেসেঞ্জারে মেসেজটি দেখতে পাবেন না।

গতকালই ফেসবুক মেসেঞ্জারের একজন প্রোডাক্ট ম্যানেজার তাদের অফিশিয়াল ব্লগ পোস্টে এই ফিচারের বিস্তারিত জানিয়েছেন।

কিন্তু এখানে একটা কথা আছে।

মেসেঞ্জারের মেসেজ মুছে ফেলার সুবিধা পেয়ে আপনি কি আনন্দিত? তাহলে আপনার আরো একটা বিষয় জেনে রাখা দরকার। আপনি কোনো মেসেজ সেন্ড করার পর সর্বোচ্চ ১০ মিনিট পর্যন্ত সেটি মুছে ফেলার সুযোগ পাবেন। ১০ মিনিট পার হওয়ার পর আপনি শুধু নিজের ইনবক্স থেকেই মেসেজটি মুছতে পারবেন। প্রাপকের ইনবক্সে তা থেকেই যাবে।

ফিচারটি শুধু ব্যক্তিগত মেসেজের ক্ষেত্রেই নয়, বরং বিভিন্ন গ্ৰুপেও কাজ করবে।



কীভাবে ফেসবুক মেসেঞ্জারের মেসেজ ডিলিট করব?

মেসেঞ্জারে যে মেসেজটি আপনি মুছে ফেলতে চান তার উপর টাচ করে ধরে রেখে একটু অপেক্ষা করুন। সেখানে মেসেজটি রিমুভ করার অপশন পাবেন।

messenger-chat-delete

রিমুভ অপশন টাচ করুন।

তারপর ওই মেসেজটি রিমুভ করার জন্য দুটি অপশন পাবেন। একটি শুধু নিজের কাছ থেকে ডিলিট করার (রিমুভ ফর ইউ), আর অন্যটি হলো একই সাথে উভয় প্রান্ত থেকেই মুছে ফেলার (রিমুভ ফর এভরিওয়ান);

messenger-chat-delete

উভয় প্রান্ত থেকে মেসেজটি মুছে ফেলতে চাইলে “রিমুভ ফর এভরিওয়ান” অপশন বাছাই করুন।

এরপর একটি সতর্কতা মূলক বার্তা আসবে। সেখান থেকে “রিমুভ” বাটন টাচ করুন।

messenger-chat-delete
মেসেজটি রিমুভ হয়ে যাবে।
messenger-chat-delete

তবে রিমুভাল সংক্রান্ত একটি বার্তা সেই মেসেজের জায়গায় প্রদর্শিত হবে।

আইফোনের জন্যও স্টেপগুলো একই রকম। আরো জানতে নিচের ছবিটি বড় করে দেখুন।

messenger-chat-delete

জেনে রাখা ভালো

তবে এটা মনে রাখা উচিত যে, কোনো মেসেজ এভাবে উভয় প্রান্ত থেকে মুছে দিলে ঐ প্রান্তের ব্যক্তি সেই মেসেজটি আর দেখবে না ঠিকই, কিন্তু আপনি যে ঐ মেসেজটি মুছে ফেলেছেন সে সংক্রান্ত একটি বার্তা ঐ মুছে ফেলা মেসেজের স্থলে দেখাবে।

ফিচারটি পেতে চাইলে মেসেঞ্জার এপ আপডেট করুন।

ফেসবুক ওয়েব ভার্সনেও এই সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে

পিসিতে ফেসবুক মেসেজ ব্যবহারের সময় যেকোনো মেসেজ বা চ্যাট উইন্ডো ওপেন করে আপনার পাঠানো কোনো মেসেজের উপর মাউস ধরুন/ক্লিক করুন। তখন সেই নির্দিষ্ট মেসেজের পাশে তিনটি ডট চিহ্ন দেখতে পাবেন। সেই ডট চিহ্নে ক্লিক করলে রিমুভ অপশন পাবেন। তখন রিমুভ ক্লিক করে ‘রিমুভ ফর এভরিওয়ান’ সিলেক্ট করে মেসেজটি রিমুভ করুন।

যেভাবে আলোচনায় এলো মেসেজ মুছে ফেলার এই ফিচার

সে এক বিরাট ইতিহাস। গত বছর ফেসবুকে ডেটা স্ক্যান্ডালের পর হঠাত করেই অনেকে এক অবাক করা ব্যাপার দেখছিলেন। যারা যারা ইতোপূর্বে ফেসবুক সিইও মার্ক জাকারবার্গের সাথে ফেসবুকে মেসেজ আদানপ্রদান করেছেন, তারা সম্প্রতি ইনবক্স থেকে জাকারবার্গের মেসেজগুলো মুছে যেতে দেখেছেন। কিন্তু স্বাভাবিকভাবে এমনটি হওয়ার কথা ছিলনা। কারণ মেসেঞ্জারে সাধারণ নিয়মে একজনের ইনবক্স থেকে অন্যজন দূর থেকে মেসেজ ডিলিট করতে পারেনা। কিন্তু মার্ক জাকারবার্গের মেসেজ মুছে যাওয়ার ঘটনায় সবাই ব্যাপারটি আলোচনায় নিয়ে আসেন।

এরপর ফেসবুক বলেছে, কোম্পানিটি ইচ্ছাকৃত এই কাজটি করেছে, এবং ফেসবুকের কর্পোরেট নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে কোম্পানিটি এই ঘটনায় আত্নপক্ষ নিয়েছে।

সেই সাথে ফেসবুক এটাও বলেছে যে, তারা কয়েক মাসের মধ্যেই নিজের পাঠানো মেসেজ অন্যের মেসেঞ্জার ইনবক্স থেকেও মুছে ফেলার ফিচার চালু করবে। তবে সবার জন্য সুবিধাটি চালু হওয়ার আগে ফেসবুক জাকারবার্গের আর কোনো মেসেজ দূর থেকে মুছবেনা, সেই ওয়াদাও দিয়েছে।

ভিডিও কলের জন্য বিশেষ ডিভাইস আনলো ফেসবুক !!!

কিছুক্ষণের জন্য গুজব ছিল, ফেসবুক কিছু দেখতে পারে। কিন্তু কেউ এটা ঠিক মত বলতে পারেন। ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে 5 লাখ ব্যবহারকারী হ্যাকিং আক্রমণের খবর! যদিও ফেসবুক ক্যামব্রিজ বিশ্লেষকদের মত দেখাচ্ছে, এই বিভ্রান্তিটি দমন করা হয়েছে, তবে কোম্পানিটিকে জিডিপিআর এবং অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়া অতিক্রম করতে হবে। জরিমানা একটি বিশাল পরিমাণ হতে পারে। কিন্তু এই সব ফেসবুক হঠাৎ নতুন কিছু মুক্তি পেয়েছে। কোনও অ্যাপ্লিকেশন বা অ্যালগরিদম পরিবর্তন করা, এটি আজ আলোতে আসে, নতুন দুটি হার্ডওয়্যার, যার নাম 'পোর্টাল'।

facebook-launches-special-device-for-video-call
Facebook launches special device for video call
কি?

না, একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল নয়। এটি ফেসবুকের নতুন ভিডিও কলিং ডিভাইস। উভয় ট্যাবলেট একটি পোর্টাল পোর্টাল এবং পোর্টাল প্লাস (পোর্টাল) সহ ফেসবুক দ্বারা প্রকাশিত হয়েছে।

তারা ইন্টারনেটে যোগ করা হয় এবং আপনি আপনার ফেসবুক মেসেঞ্জার একাউন্টে লগ ইন করে অন্য ফেসবুক মেসেঞ্জার ব্যবহারকারীদের সাথে ভিডিও কল করতে পারেন। এমনকি গ্রুপ কলিং সম্ভব

fb ভিডিও কল ডিভাইস

ইতিমধ্যে উল্লিখিত,

পোর্টাল মোট দুই মডেল। তাদের মধ্যে একটি পোর্টাল একটি ডিভাইস যা 10-ইঞ্চি টাচস্ক্রীন, ফ্রন্ট ক্যামেরা, মাইক্রোফোন এবং স্পিকারের সাথে ডেস্ক ক্যালেন্ডারের মত দেখাচ্ছে। এর পর্দা রেজোলিউশন 1280 x 800 পিক্সেল।

অন্যদিকে, পোর্টালটিতে 15 ইঞ্চি 1920 x 1080 পিক্সেল রেজুলেশনের একটি স্পর্শ পর্দা রয়েছে। ক্যামেরা, মাইক্রোফোন এবং স্পিকার আছে।

উভয় ডিভাইস অ্যামাজন আলেক্সা ভয়েস সরবরাহকারী অন্তর্নির্মিত আছে, তাই আপনি ভয়েস কমান্ড দিয়ে অনেক কিছু করতে পারেন। ভিডিও কল চলাকালীন ভিডিও কল অনুযায়ী, এর এআই ক্যামেরা ফ্রেম সমন্বয়। নয়েজ মিনিমাইজার এবং মেসেঞ্জার ভিডিও ফিল্টার / স্টিকার এবং ফ্রেম। অতিরিক্ত অ্যাপ্লিকেশন ইনস্টল করা যাবে।

ইতোমধ্যেই ফেসবুক পোর্টাল পোর্টাল পোর্টাল.ফেসবুক.com এর প্রাক অর্ডারটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চালু করা হয়েছে, যা নভেম্বরে পাওয়া যাবে। পোর্টালের দাম 199 ডলার, পোর্টালের মূল্য 349 ডলার। একসঙ্গে দুই কিনুন এবং $ 100 ছাড় পান।

Popular Posts

Blog Archive