Technology news লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Technology news লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান



whatsapp-dark-mode-beta-feature
 ডার্ক মোড ফিচার এলো হোয়াটসঅ্যাপ এর জন্য

বিভিন্ন রংয়ের বদলে যারা কালো ব্যাকগ্রাউন্ডে সাদা টেক্সট দেখতে পছন্দ করেন, তাদের চোখে যেকোনো অ্যাপ এ ডার্ক মোড একটি আশীর্বাদস্বরুপ।

আজকাল কমবেশি সব অ্যাপ ডেভলপার কোম্পানিগুলোই তাদের অ্যাপে ডার্ক মোড ফিচারটি যুক্ত করছে। এরই সাথে তাল মিলিয়ে তাদের জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ, হোয়াটসঅ্যাপ এ ডার্ক মোড ফিচারটি যুক্ত করল ফেসবুক।

হোয়াটসঅ্যাপ এ ডার্ক মোড ফিচারটি এখন শুধুমাত্র বেটা ভার্সন ব্যবহারকারীরা ব্যবহার করতে পারবেন। বেটা ভার্সনের জন্য সাইন আপ প্রসেস ও বর্তমানে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

সেক্ষেত্রে হোয়াটসঅ্যাপ এ ডার্ক মোড ব্যবহার করতে থার্ড পার্টি এপ স্টোর থেকে হোয়াটসঅ্যাপ এর যথাযথ ভার্সনটি ইন্সটল করতে হবে। আপনি চাইলে APKMirror থেকে ডাউনলোড করতে পারেন।

হোয়াটসঅ্যাপ এ যেভাবে ডার্ক মোড অন করবেন –

  • হোয়াটসঅ্যাপ এ ডানদিকের টপ কর্নারে থাকা থ্রি ডট মেন্যুতে প্রবেশ করুন।

  • Settings এ প্রবেশ করুন।

  • Chats মেন্যুতে প্রবেশ করুন। 

  • সেখানে Theme মেন্যুতে এ Lite এবং Dark মোড নামে দুইটি অপশন পাবেন।

  • ডার্ক মোড চালু করতে Dark Mode অপশনটি সিলেক্ট করুন।


whatsapp-dark-mode-beta-feature
whatsapp-dark-mode-beta-feature

অতি শীঘ্রই এই ফিচারটি সকল ব্যবহারকারীর জন্য উন্মুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছে  হোয়াটসঅ্যাপ ।

 

 
Fb-com
 নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেম আনছে ফেসবুক

অকুলাস কিংবা অগুমেন্টেড রিয়েলিটি গ্লাস এর মত হার্ডওয়্যার এর জন্য ফেসবুককে গুগল এর এন্ড্রয়েড অপারেটিংস সিস্টেম এর উপর নির্ভর করতে হয়, যা ফেসবুক এর জন্য অবশ্যই কোনো সুখকর অভিজ্ঞতা নয়। দ্যা ইনফরমেশন এর তথ্যমতে, ফেসবুক সম্প্রতি উইন্ডোজ এনটি এর সহ-উদ্ভাবক, মার্ক লুকভস্কাই কে একটি সম্পূর্ণ নতুন অপারেটিং সিস্টেম তৈরির দায়িত্বভার দিয়েছে।

ফেসবুক এর হার্ডওয়্যার এর ভাইস প্রেসিডেন্ট, এন্ড্রু বসওর্থ বলেন, “আমরা এটি নিশ্চিত করতে চাই যে, পরবর্তী প্রজন্মের কাছে যেনো আমরা যথাযোগ্য স্থান পাই। সেক্ষেত্রে আমরা অন্য প্রতিযোগীদের বিশ্বাস করতে পারছি না, তাই আমরা নিজেরাই কাজটি করতে চাই।”

আই ওএস (Eye OS)

নিজেদের অপারেটিং সিস্টেম তৈরির মাধ্যমে ফেসবুক সোস্যাল ইন্টারেকশন এবং গোপনীয়তা প্রদানের ক্ষেত্রে স্বাধীনভাবে পদক্ষেপ নিতে পারবে। ফেসবুক জানায় যে এই উদ্যোগ শুধুমাত্র এআর গ্লাস এর জন্য। এছাড়াও এর মাধ্যমে ফেসবুক আরও কিছু অধিগ্রহণ থেকে বেরিয়ে আসতে পারবে, যা তাদের প্রতিযোগীদের কাছে তাদের শক্তিশালী করে তুলবে। বিশেষত যদি ফেসবুক তাদের অগুমেন্টেড রিয়েলিটি গ্লাস ইনস্টাগ্রাম ব্র্যান্ডিং এ ব্যবহার করতে পারে।

নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেম না থাকার জন্য ফেসবুক এর অনেক আগে থেকেই আক্ষেপ ছিল। ভক্স এর তথ্যমতে, ২০১৩ সালে ফেসবুক একটি গোপন প্রজেক্টে কাজ করছিল যা কোডনেম ছিল অক্সিজেন। এই প্রজেক্টটির কাজ ছিল প্রয়োজনে প্লে স্টোরের বাইরে এন্ড্রয়েড এপ ডিস্ট্রিবিউট এর ব্যবস্থা করা। এছাড়াও নিজেদের মোড়কে এইচটিসি এর সাথে পার্টনাশিপ করে ফেসবুক ফোন নামে এন্ড্রয়েড ফোন বাজারে ছেড়েছিল ফেসবুক। তবে এই পণ্যটি ফেসবুক এবং এইচটিসি এর ব্যর্থ প্রোডাক্টগুলোর মধ্যে একটি হিসেবে বিবেচিত হয়।

বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ

পূর্ববর্তী ভূলগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে যেতে বদ্ধপরিকর ফেসবুক। সে লক্ষ্যে নিজেদের হেডকোয়ার্টার থেকে ১৫ মাইল উত্তরে ৪০০০ কর্মচারী নিয়ে বার্লিনগেম এ ৭০হাজার স্কোয়ারফিট এর এআর/ভিআর টিম এর জন্য অফিস নির্মাণ করেছে ফেসবুক। 

এছাড়াও হার্ডওয়্যার জগতে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বাড়াতে ৪.৫বিলয়ন ডলারের বিনিময়ে সেমিকন্ডাক্টর কোম্পানি সিরাস লজিক কে কিনে নেয় ফেসবুক, যা অ্যাপল এবং অন্যদের জন্য অডিও চিপ তৈরি করে। এসব উদ্যোগ এর মাধ্যমে পুনরায় বাজারে নিজেদের হারানো স্থান ফিরে পাবে বলে আশাবাদী ফেসবুক। 

study-newsroom
study newsroom

অনেকেই প্রশ্ন করেন ফেসবুক থেকে টাকা আয় করা যায় কীভাবে? আবার কেউ কেউ জানতে চান, মোবাইলে টাকা আয় করার উপায় কী? এতদিন এই প্রশ্নের সরাসরি ও সহজ উত্তর ছিলনা। কিন্তু সম্প্রতি ফেসবুক একটি অ্যাপ চালু করেছে যেটা ব্যবহার করে মোবাইলেই অর্থ উপার্জন করা যাবে।

ফেসবুকের নতুন এই অ্যাপটির নাম হচ্ছে স্টাডি। এটি পড়াশোনা সংক্রান্ত কোনো অ্যাপ নয়। স্টাডি হচ্ছে ফেসবুকের গবেষণামূলক একটি প্রজেক্ট যা ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে বিভিন্ন তথ্য নেয়ার বিনিময়ে টাকা দেবে। এই অ্যাপটি ব্যবহারকারীরা মোবাইলে ডাউনলোড ও ইনস্টল করলে কোম্পানিটি টাকা দেবে।

এই অ্যাপ ব্যবহারকারীরা ফোনে ইন্সটল করে ফেসবুককে বিভিন্ন প্রকার তথ্য দিবেন। আর এর জন্য ফেসবুক টাকা দিবে।

অবাক হচ্ছেন? তাহলে ব্যাপারটা আরো বিস্তারিত বলছি। ফেসবুকের এই স্টাডি অ্যাপটি মূলত আপনার ফোনে ইন্সটল করে আপনার স্মার্টফোন ও বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহারের ধরন সম্পর্কে তথ্য নিবে। আর সেই তথ্য ব্যবহার করে ফেসবুকের আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাপ ও প্রযুক্তি বাজার সম্পর্কে ধারণা পাবে। এতে তারা তাদের ব্যবসাকে কোনদিকে নিয়ে গেলে সুবিধা হবে, গ্রাহকদের চাহিদা ইত্যাদি বিষয় বিবেচনা করে বাজারে নতুন প্রোডাক্ট আনতে পারবে। ফলে তাদের আয়ও বাড়বে।

তাই এই অ্যাপ ইন্সটল করিয়ে আপনার কাছ থেকে তথ্য নিতে আপনাকে তারা টাকাও দিতে পারছে। তাদের ঘোষণা করা পলিসি অনুযায়ী এটা অনেকটা “উইন-উইন সিচুয়েশন” এর মতো।

ফেসবুকের এই নতুন স্টাডি অ্যাপ এর ঘোষণা মাত্র এলেও এই কনসেপ্ট নিয়ে অন্য একটি প্রোগ্রাম এর আগেও নিয়ে এসেছিল। সেখানে তারা ইউসেজ ডেটার বিনিময়ে টিনএজারদেরকে টাকা দিত। তবে কিছু সমালোচনা ও কারিগরি জটিলতার জন্য এবছরের শুরুতে সেই প্রোগ্রাম বন্ধ করে দেয় তারা।

নতুন স্টাডি অ্যাপকে সেটারই পূনর্জীবন বলা যায়। তবে তথ্যের বিনিময়ে অর্থের কনসেপ্ট কিন্তু নতুন নয়। এমাজনের কোম্পানি সার্ভেমাঙ্কি তাদের সার্ভেতে অংশগ্রহণ করে গিফট কার্ড কিংবা ক্রেডিট অর্জন করার সুবিধা দিচ্ছে।

ফেসবুক থেকে আয় এর জন্য স্টাডি অ্যাপে আপনাকে কোনো কাজ করতে হবে না। শুধু অ্যাপটি ইন্সটল করে কিছু পারমিশন দিয়ে দিলেই আপনার কাজ শেষ।

সারা জীবনে কতজনের মুখ মনে রাখতে পারে এক জন মানুষ?

পরিবারের সদস্য ছাড়াও অসংখ্য মানুষের সঙ্গে আমাদের পরিচয় হয়। সেই ছোট থেকে আমৃত্যু মানুষকে ঘিরেই আমাদের জীবন। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় আর এরপর চাকরিবাকরি—জীবনকে এমন সোজাসাপ্টা হিসেবে পর্যবেক্ষণ করলেও দেখা যাবে, এই দীর্ঘ যাত্রায় হাজারো মানুষের সঙ্গে আমরা পরিচিত হয়েছি। সবার চেহারা, রং একদম আলাদা।


how-many-people-can-you-remember
how many people can you remember

প্রশ্ন আসতেই পারে, কতজনের চেহারা আমাদের মনে আছে?

প্রশ্নটা এভাবেও করা যায়, আমাদের মস্তিষ্ক ঠিক কত জনের চেহারা ধারণ করতে সক্ষম?

এর উত্তর জানলে বিস্মিত হবেন। সাম্প্রতিক এক গবেষণা জানিয়েছে, একটা মানুষ গড়ে পাঁচ হাজার চেহারা মনে রাখতে পারে।

ব্যক্তিগত জীবন ও মিডিয়া থেকে অংশগ্রহণকারীরা ঠিক কতগুলো মুখ স্মরণে আনতে পারেন, তার ওপর গবেষণা করেছেন একদল বিশেষজ্ঞ। অনেক বিখ্যাত মুখও তাঁরা দ্রুত চিহ্নিত করতে পেরেছেন।

মানুষ সাধারণত ছোট দলে ভাগ হয়ে বাস করে। তার চারপাশে শ’খানেক মানুষ তো থাকেই। গবেষণা নিবন্ধটি বলছে, মানুষের মুখাবয়ব চিহ্নিতকরণ সক্ষমতা অনেক। হাজারো চেহারা মনে রাখতে পারে মানুষ।

আধুনিক যুগে আমরা শুধু প্রত্যেক্ষ বা মুখোমুখি যোগাযোগই করি না, আন্তর্জালিক যোগাযোগও করি। সেখানে বহু মানুষের সঙ্গে পরিচিত হই। ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম... ভার্চুয়াল এ যুগে অনেকের সঙ্গে আমাদের খুব সখ্য, কিন্তু কখনো দেখা হয়নি একটিবারও! তবুও তাঁদের চেহারা চিহ্নিত করতে পারে মানুষ।

চেহারা চিহ্নিতকরণের জন্য একটি সফটওয়্যার:

চেহারা চিহ্নিতকরণের জন্য একটি সফটওয়্যারও আছে, যা বিমানবন্দর ও পুলিশি তদন্তে ব্যবহার করা হয়।

গবেষক দলটির প্রধান ড. রব জেনকিনস বলেছেন, ‘আমাদের গবেষণার মূল ফোকাস ছিল, প্রকৃতপক্ষে মানুষ কত সংখ্যক চেহারা মনে রাখতে পারে—আমরা এখনো জানি না, আমাদের মস্তিষ্ক ঠিক কী পরিমাণ অবয়ব স্মরণে রাখতে সক্ষম।’ তবে একেকজনের সামর্থ্য একেক রকম, এটাও বলেন তিনি। গবেষণায় অংশগ্রহণকারীরা এক ঘণ্টা ব্যয় করেন তাঁদের স্মরণে থাকা মুখগুলোর নাম লিখতে। যেমন স্কুলে যাঁদের সঙ্গে মেশা হয়েছিল, চাকরিতে সহকর্মীরা অথবা পরিবার বা আত্মীয় ইত্যাদি। পরে তাঁরা ধীরে ধীরে বিখ্যাত অভিনেতা-অভিনেত্রী, রাজনীতিকসহ অন্যান্য মাধ্যমের আইকনদের নামও লিখতে থাকেন।

how-many-people-can-you-remember
how many people can you remember

শুরুতে অংশগ্রহণকারীরা ঝটপট নাম লিখতে থাকেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা কঠিন হয়ে পড়ে। এক ঘণ্টা শেষে তা হয় কঠিনতর! এই গতির ওপর গবেষকরা অনুমান করেন, তাঁরা ঠিক কতগুলো অবয়ব স্মরণ করতে পারবেন। অংশগ্রহণকারীদের হাজারটা বিখ্যাত মানুষের ছবিও দেখানো হয় এবং জিজ্ঞেস করা হয়, কাদের চিনতে পারছেন তাঁরা।

ফলাফল:

ফলাফল আসে, অংশগ্রহণকারীরা এক হাজার থেকে ১০ হাজারের মতো মুখ স্মরণে আনতে পারছেন।

তবে মুখাবয়ব স্মরণে রাখার প্রাকৃতিক ব্যাপারটাও মাথায় রেখেছিলেন ড. জেনকিনস ও তাঁর সহযোগীরা। এ ছাড়া এটাও একটা কারণ, মানুষ আসলে কথা বলার সময় তাঁর চেহারার দিকে ঠিক কতটা মনোযোগ দিচ্ছে। চেহারা মনে পড়াটা এর ওপরও নির্ভর করে।

how-many-people-can-you-remember
how many people can you remember

একজন মানুষের ওপর অনেক কিছুই প্রভাব ফেলে। সামাজিক পরিবেশও ব্যক্তির ভেতর প্রতিফলিত হয়। ঘনবসতিপূর্ণ অঞ্চলে বসবাসরত ব্যক্তি আর অল্পসংখ্যক মানুষের বসতিতে বেড়ে ওঠা ব্যক্তির মানুষ চেনার সামর্থ্য নিশ্চয়ই এক নয়।

তথ্য প্রকাশ :

ভারতের সংবাদমাধ্যম ডেকান ক্রনিকেল জানিয়েছে, অংশগ্রহণকারীদের বয়সের গড় ছিল ২৪। পুরো গবেষণা নিবন্ধটি রয়্যাল সোসাইটির সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে।

ভিডিও কলের জন্য বিশেষ ডিভাইস আনলো ফেসবুক !!!

কিছুক্ষণের জন্য গুজব ছিল, ফেসবুক কিছু দেখতে পারে। কিন্তু কেউ এটা ঠিক মত বলতে পারেন। ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে 5 লাখ ব্যবহারকারী হ্যাকিং আক্রমণের খবর! যদিও ফেসবুক ক্যামব্রিজ বিশ্লেষকদের মত দেখাচ্ছে, এই বিভ্রান্তিটি দমন করা হয়েছে, তবে কোম্পানিটিকে জিডিপিআর এবং অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়া অতিক্রম করতে হবে। জরিমানা একটি বিশাল পরিমাণ হতে পারে। কিন্তু এই সব ফেসবুক হঠাৎ নতুন কিছু মুক্তি পেয়েছে। কোনও অ্যাপ্লিকেশন বা অ্যালগরিদম পরিবর্তন করা, এটি আজ আলোতে আসে, নতুন দুটি হার্ডওয়্যার, যার নাম 'পোর্টাল'।

facebook-launches-special-device-for-video-call
Facebook launches special device for video call
কি?

না, একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল নয়। এটি ফেসবুকের নতুন ভিডিও কলিং ডিভাইস। উভয় ট্যাবলেট একটি পোর্টাল পোর্টাল এবং পোর্টাল প্লাস (পোর্টাল) সহ ফেসবুক দ্বারা প্রকাশিত হয়েছে।

তারা ইন্টারনেটে যোগ করা হয় এবং আপনি আপনার ফেসবুক মেসেঞ্জার একাউন্টে লগ ইন করে অন্য ফেসবুক মেসেঞ্জার ব্যবহারকারীদের সাথে ভিডিও কল করতে পারেন। এমনকি গ্রুপ কলিং সম্ভব

fb ভিডিও কল ডিভাইস

ইতিমধ্যে উল্লিখিত,

পোর্টাল মোট দুই মডেল। তাদের মধ্যে একটি পোর্টাল একটি ডিভাইস যা 10-ইঞ্চি টাচস্ক্রীন, ফ্রন্ট ক্যামেরা, মাইক্রোফোন এবং স্পিকারের সাথে ডেস্ক ক্যালেন্ডারের মত দেখাচ্ছে। এর পর্দা রেজোলিউশন 1280 x 800 পিক্সেল।

অন্যদিকে, পোর্টালটিতে 15 ইঞ্চি 1920 x 1080 পিক্সেল রেজুলেশনের একটি স্পর্শ পর্দা রয়েছে। ক্যামেরা, মাইক্রোফোন এবং স্পিকার আছে।

উভয় ডিভাইস অ্যামাজন আলেক্সা ভয়েস সরবরাহকারী অন্তর্নির্মিত আছে, তাই আপনি ভয়েস কমান্ড দিয়ে অনেক কিছু করতে পারেন। ভিডিও কল চলাকালীন ভিডিও কল অনুযায়ী, এর এআই ক্যামেরা ফ্রেম সমন্বয়। নয়েজ মিনিমাইজার এবং মেসেঞ্জার ভিডিও ফিল্টার / স্টিকার এবং ফ্রেম। অতিরিক্ত অ্যাপ্লিকেশন ইনস্টল করা যাবে।

ইতোমধ্যেই ফেসবুক পোর্টাল পোর্টাল পোর্টাল.ফেসবুক.com এর প্রাক অর্ডারটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চালু করা হয়েছে, যা নভেম্বরে পাওয়া যাবে। পোর্টালের দাম 199 ডলার, পোর্টালের মূল্য 349 ডলার। একসঙ্গে দুই কিনুন এবং $ 100 ছাড় পান।

 What can cause cancer due to mobile phones?

mobile-phone-cancer
Mobile phone causes cancer

যতটুকু আমরা জানি, মোবাইল ফোন রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ওয়েভের ভিত্তিতে কাজ করে যা স্বল্প ক্ষমতার বিকিরণ ব্যবহার করে। এক্সরে, আলট্রা ভায়োলেট বা গামা বিকিরণে যা ব্যবহৃত হয়, এটি তারচেয়ে অনেক কম ক্ষমতার। তবে এটিও মানব শরীরে কতটা প্রভাব ফেলে, তা এখনো পুরোপুরি পরিষ্কার নয়। আমাদের চারপাশে এরকম অসংখ্য বিকিরণ ঘুরে বেড়াচ্ছে। যেমন এফএম বেতারের তরঙ্গ, মাইক্রোওয়েভ আর বাতির বিকিরণ। তাই বর্তমান বিশ্বে মোবাইল ফোনের সহজলভ্যতার সাথে পাল্লা দিয়ে এর রেডিয়েশন নিয়ে দুশ্চিন্তাও বাড়ছে। অনেকেই বলছেন “বেশি সময় ফোন কানে নিয়ে কথা বললে মস্তিষ্কে ক্যান্সার হতে পারে… পকেটে মোবাইল ফোন রাখলে রেডিয়েশন থেকে শারীরিক ক্ষতিসাধন হতে পারে” তবে আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটির ওয়েবসাইটে বলা হচ্ছে, মোবাইল ফোন হয়তো ব্রেন টিউমার বা মাথা বা গলার টিউমারের ঝুঁকি অনেকটা বাড়িয়ে দিতে পারে।


কিন্তু এ ব্যাপারে বিজ্ঞান কী বলছে? এমন কোনো গবেষণা কি আছে যা দ্বারা প্রমাণ হয় মোবাইল ফোনের রেডিয়েশন থেকে মানুষের ক্যান্সার হতে পারে? সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজব এই পোস্টে।


মোবাইল ফোন থেকে বিকিরণ

(এসএআর-এর মাত্রা অনুযায়ী)*

১.৬৮
ওয়ানপ্লাস ফাইভ-টি
১.৬৪
হুয়াওয়ে মেট নাইন
  • ১.৫১ নকিয়া লুমিয়া ৬৩০
  • ১.৪৮ হুয়াওয়ে পি নাইন প্লাস
  • ১.৪৪ হুয়াওয়ে জিএক্স এইট
  • ১.৪১ হুয়াওয়ে নোভা প্লাস


রেডিয়েশন! রেডিয়েশন!!

আচ্ছা, একটা কথা বলুন তো, আমরা কেনই বা মোবাইল ফোনের রেডিয়েশন নিয়ে এতটা দুশ্চিন্তায় আছি? এর কারণ হচ্ছে, রেডিয়েশন শব্দটার মাঝেই আমরা একধরনের ভয় পাই, যে এই অদৃশ্য শক্তির নিশ্চয়ই অনেক ক্ষমতা! বিশেষ করে জাপানের হিরোশিমা আর নাগাসাকিতে যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক পারমাণবিক হামলায় রেডিয়েশনে মানুষের ক্ষতির কথা জানার পর থেকে রেডিয়েশন শব্দটাই আমাদের কাছে একটা নেতিবাচক অর্থ দাঁড়া করাচ্ছে। 
mobile-phone-cancer

 তাহলে মোবাইল ফোনের তরঙ্গ থেকে মানুষের কি ক্যান্সার হতে পারে? সত্যি কথা বলতে গত কয়েক বছর ধরেই বিজ্ঞানীরা এই প্রশ্নের উত্তর পেতে চেষ্টা করছেন। তবে এখন এ সংক্রান্ত সকল প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর পাওয়া এখনো যায়নি।


গবেষণা কী বলছে?

গত বছর প্রকাশিত আমেরিকান সরকারের একটি গবেষণায় কতগুলো ইঁদুরের উপর খুবই উচ্চমাত্রার সেলফোন রেডিয়েশন প্রয়োগ করা হলে দেখা যায় কিছু পুরুষ ইঁদুরের হৃদপিণ্ডে এক ধরনের টিউমার সৃষ্টি হয়েছে। কিছু পুরুষ ইঁদুরের ব্রেইনেও টিউমার ধরা পড়ে। অবশ্য, স্ত্রীজাতীয় ইঁদুরে এই সমস্যা দেখা যায়নি। এর সাাথে যোগসূত্র থাকার ব্যাপারে একটি প্রেস রিলিজও প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি সংস্থা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব এনভায়রোমেন্টাল হেলথ সায়েন্সেস।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের আরেকটি সরকারি সংস্থা এফডিএ এ ব্যাপারে বলছে, বর্তমানের সেফটি লিমিট অনুযায়ী সেলফোন থেকে বিকিরিত রেডিওফ্রিকোয়েন্সি এনার্জি (বেতারতরঙ্গ শক্তি) মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ বলে এফডিএ বিশ্বাস করে।

যদিও এসব ব্যাপারে এখনও গবেষণা চলছে।

সেলফোনগুলো থেকে অবশ্যই পরিবেশে রেডিয়েশন হচ্ছে। কিন্তু তার মানে এই না যে এটা একটা পারমাণবিক বোমা থেকে বা এক্সরে মেশিন থেকে প্রাপ্ত রেডিয়েশনের মতো শক্তিশালী!


মোবাইল ফোনের রেডিয়েশন কি ক্ষতিকর?

রেডিয়েশন বিভিন্ন রকম হতে পারে। অ্যামেরিকান ক্যান্সার সোসাইটির ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, সেলফোনের রেডিয়েশন হচ্ছে রেডিওফ্রিকোয়েন্সি রেডিয়েশন যা মানুষের দেহকোষকে ক্ষতিগ্রস্ত করে টিউমার সৃষ্টি করার মতো যথেষ্ট শক্তিশালী নয়। এগুলোকে বলে ‘নন-আয়োনাইজিং’ রেডিয়েশন বলে, যা কোষে ডিএনএ এর রাসায়নিক বন্ধন ভেঙে ক্যান্সার তৈরি করতে সক্ষম নয়। এ ধরণের আরও কিছু ‘নন-আয়োনাইজিং’ রেডিয়েশন হচ্ছে এফএম রেডিওর তরঙ্গ, মাইক্রোওয়েভ এবং দৃশ্যমান আলো। 

mobile-phone-cancer

 অ্যামেরিকান ক্যান্সার সোসাইটি আরও বলছে, অনেক বেশি মাত্রায় মোবাইল ফোনের তরঙ্গ যদি মানবদেহের সংস্পর্শে আসে, তাহলে এটি শরীরের কোষের উষ্ণতা বাড়িয়ে দিতে পারে (মাইক্রোওয়েভ ওভেন যেভাবে কাজ করে আরকি)। সেইসাথে সাইটটি এটাও বলছে,

মোবাইল ফোন থেকে বিকিরিত তরঙ্গের শক্তি এতটাই কম, যে তা মানুষের কোষের উষ্ণতা বৃদ্ধি করার জন্য যথেষ্ট না।

যদি… কিন্তু… তাই…

অবশ্য সবকিছুর পরেও সেলফোন রেডিয়েশনকে ক্ষতিকর মনে করার জন্য অনেক তথ্য উপাত্ত হয়ত আপনি পাবেন, যেহেতু বিজ্ঞানীরাও এখনো সম্পুর্ন পরিষ্কার নন বিষয়টি নিয়ে। শত শত গবেষণা হয়েছে, কিন্তু সরাসরি সেলফোন রেডিয়েশনকে মানুষের জন্য ক্যান্সারের কারণ বলে কেউ ১০০% প্রমাণ করতে পারেনি। তবে বিজ্ঞানীরা বরাবরই এর ঝুঁকির ব্যাপারে ইঙ্গিত দিয়েছেন।

দিনে দিনে নেটওয়ার্কে পরিবর্তন আসছে। ইঁদুরের ওপর পরিচালিত উপরোক্ত গবেষণা ২জি, ৩জি নেটওয়ার্কের ফ্রিকোয়েন্সি দিয়ে করা হয়েছে। এখন ৪জি ও ৫জি এর যুগ। তাই সময়ের সাথে মোবাইল ফোনের বিকিরণ মানবদেহে কেমন প্রভাব ফেলে সে ব্যাপারে উপসংহার টানার সময় এখনও হয়নি।

তবে যেহেতু বিজ্ঞানীরা আগাম সতর্কতা হিসেবে মোবাইল ফোনের তরঙ্গ থেকে যতটা সম্ভব দূরে থাকতে পরামর্শ দিয়েছেন, তাই আমাদের অবশ্যই যতটা সম্ভব মোবাইল ব্যবহার কমানো উচিত। সেই সাথে মোবাইল ফোন এর অতিরিক্ত ব্যবহার যেন আমাদের যান্ত্রিক না করে দেয় সেদিকে খেয়াল রাখাটাও অনেক দরকার।





Popular Posts

Blog Archive